সারাদেশ

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট: জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

২০২২ সালে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ২৭ ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তুলে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তফসিল বুধবার সন্ধ্যায়, ভোট জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে

ছবি: বার্তা২৪.কম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বুধবার ঘোষণা করা হতে পারে। বিকেলে কমিশন সভা শেষে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল এ ঘোষণা দিতে পারেন।

ইসির সূত্র বলছে, ভোট গ্রহণের তারিখ ৩, ৬ ও ৯ জানুয়ারির তিনটি তারিখ ধরে পরিকল্পনা ইসির। তার মধ্যে ৬ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের তারিখ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যা চূড়ান্ত হবে তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে।

সাধারণত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনররা। এরপর বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ রেকর্ড করা হয়। সন্ধ্যায় ওই ভাষণ প্রচার করা হয়। ওই ভাষণেই মূলত তফসিল ঘোষণা করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে সচিব জাহাংগীর আলম তার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, কবে, কখন কিভাবে তফসিল ঘোষণা হবে এ বিষয়টি বুধবার সকাল ১০টায় আমি আপনাদের অবগত করবো। আমি এখন পর্যন্ত কমিশন সভার কোন নোটিশ হাতে পাইনি। কবে কখন কি হবে সেটা বুধবারই আপনাদেরকে জানাতে পারবো।

এদিকে তফসিল ঘোষণাকে কেন্দ্রে করে নির্বাচন ভবনের আশপাশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

তফসিল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকাল থেকে নির্বাচন ভবনের আশপাশে এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সতর্ক অবস্থা দেখা যায়। যা তার আগে ছিল না। এছাড়া, নির্বাচন কমিশন ভবনে ঢুকতে হলেও গেটের সামনে পুলিশি জেরার অতিক্রম করতে হচ্ছে সবাইকে। সন্ধ্যার পরে ভবনের আশেপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি আরও বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে ইসি। সেখানে দেখা যায়, দেশে বর্তমান মোট ভোটার ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৯১ হাজার ৬৩৩ জন। ইসির দেওয়া তথ্যানুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৭৯ জন এবং নারী ভোটার ৫ কোটি ৮৯ লাখ ১৯ হাজার ২০২ জন। আর হিজড়া ভোটার ৮৫২। আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচন আয়োজনে প্রায় ১০ লাখ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে।

;

জাপানের সঙ্গে রাজশাহীর সম্পর্কের নতুন সূচনা

ছবি: বার্তা ২৪

জাপানের সঙ্গে রাজশাহীর সম্পর্কের নতুন যাত্রা শুরু হলো। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটনের সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি এক বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগর ভবনে মেয়রের দপ্তর কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন বিকেল ৪ টা ১৫ মিনিটে নগর ভবনে শিশু শিল্পীদের অংশগ্রহণে নৃত্যের তালে তালে সুরের মুর্ছনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাপানের রাষ্ট্রদূতকে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি কে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। বৈঠকে রাজশাহী মহানগরীর সবুজায়ন, পরিচ্ছন্নতা ও আলোকায়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন জাপানের রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে রাজশাহীর উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তথ্যচিত্র ও ভিডিও চিত্রে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। বৈঠক শেষে জাপানের রাষ্ট্রদূতের হাতে আম আকৃতির সম্মাননা স্মারক ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেন রাসিক মেয়র।

বৈঠক শেষে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি সাংবাদিকদের বলেন, সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দীর্ঘ ১৪ বছর পর রাজশাহীতে আমরা আসলাম। আজ থেকে রাজশাহীর সঙ্গে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু হলো। আশা করি আমরা বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করতে পারবো।

রাসিক মেয়র বলেন, প্রায় ১৪ বছর পর রাজশাহীতে জাপানের কোন রাষ্ট্রদূত এলেন। জাপান বাংলাদেশের পুরোনো বন্ধু। স্বাধীনতার সময় থেকে এ পর্যন্ত তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত মধুর ও সহযোগিতাপূর্ণ। তারা আমাদের নানা সময়ে কারিগরি ও আর্থিক উভয়ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও প্রজেক্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও কাজ করেন। ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপান আমাদের সহযোগিতা করে আসছে।

মেয়র বলেন, রাজশাহীর ক্ষেত্রটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন গ্যাপ ছিল। তিনি যেটি বললেন, আজ থেকে আমাদের সম্পর্কের নতুন যাত্রা শুরু হলো। ইনশাল্লাহ তাদের সহযোগিতায় জাইকার মাধ্যমে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারবো। এতে আমরা সবাই উপকৃত হবো। স্মার্ট রাজশাহী সিটি গড়ার ক্ষেত্রে আমরা একটা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। সেটিও জাপান রাষ্ট্রদূতের নিকট উপস্থাপন করা হয়েছে। আশা করছি পর্যায়ক্রমে এগুলোর বাস্তবায়ন হবে।

জাপানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন মিসেস ইওয়ামা তমোমি, সেকেন্ড সেক্রেটারি, ডেপুটি হেড পাবলিক রিলেশনস এন্ড কালচার ইয়ামামতো কেওছি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ এনায়েত হোসেন, সহকারি অধ্যাপক সাজু সরদারসহ রাসিকের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

;

টেকনাফে দুই গ্রুপের গোলাগুলি

ছবি: সংগৃহীত

টেকনাফ উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কান্জর পাড়া এলাকায় নবী হোসন প্রকাশ লাদেন গ্রুপের সঙ্গে আব্দুল জলিল গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই গ্রুপের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) বিকাল ২ টার সময় টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের উত্তর পাশে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টেকনাফ উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কান্জর পাড়া এলাকার শহর মল্লুকের ছেলে ডাকাত নবী হোসন প্রকাশ লাদেন এর নেতৃত্বে একি এলাকার উলা মিয়ার ছেলে আব্দুল জলিলের পাহাড়ের পাদদেশে গুহায় খামার থেকে এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটায়। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে ৪-৫ জন আহত হন।

এ দিকে স্থানীয়রা বলেন, নবী হোসেন একজন বড় মাপের মাদক কারবারী। তিনি একজন ডাকাত দলের প্রধান। তিনি পাহাড়ে অবস্থান করে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সে প্রতিনিয়ত এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে থাকে। মূলত তার কাজ হল ইয়াবা ছিনিয়ে নেওয়া এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদক সরবরাহ করা।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী বলেন, গোলাগুলির ঘটনা শুনেছি। শুনার সাথে সাথে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। বর্তমান পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। দুই গ্রুপের মধ্যে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর শুনেছি।

টেকনাফ মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, গোলাগুলির সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। যারা ঘটনার সাথে জড়িত যাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুই গ্রুপের মধ্যে ৪-৫জন আহত হওয়ার খবর শুনেছি। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

;

‘কোনো মানুষ এখন না খেয়ে থাকে না’ 

ছবি: বার্তা ২৪

বিদেশে দাম বৃদ্ধির কারণে, আমাদের দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। এজন্য আমরা কিছুটা অসুবিধার মধ্যে পড়লেও আমাদের দেশের কোনো মানুষ এখন না খেয়ে থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু।

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে কামরাঙ্গীরচরে শহীদ মিনার মাঠে ১৪ দল আয়োজিত শান্তি সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, দুই বছর করোনাকালীন সময় ও দুই বছর ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে এদেশে প্রতিটি দ্রব্যের মূল্য কিছুটা বেড়েছে। আমরা একটি আমদানি নির্ভর দেশ। বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করতে হয়, বিদেশে দাম বৃদ্ধির কারণে আমাদের দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গিয়েছে। আমরা কিছুটা অসুবিধার মধ্যে পড়লেও আমি বলতে পারি আমাদের দেশের কোনো মানুষ এখন না খেয়ে থাকে না।

১৪ দলের প্রধান সমন্বয়ক বলেন, আমাদের দেশের মানুষ এখনো দুই বেলা পেট ভরে ভাত খেতে পারে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার আগ পর্যন্ত যে চিত্র এদেশে ছিল না। শেখ হাসিনা সরকার এদেশে খাদ্য নিরাপত্তা দিয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য সেবার নিশ্চয়তা দিয়েছে। যে বাংলাদেশ ছিল দুর্ভিক্ষের দেশ, যে বাংলাদেশ ছিল নিপীড়নের দেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই বাংলাদেশ আজকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।

এ সময় নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে আমু বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াতের ভরাডুবি হবে জেনে তারা নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। শেখ হাসিনার বিকল্প কোনো নেতৃত্ব নেই এই দেশে। ষড়যন্ত্র শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নয়, বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে। তাই আগামী দিনে শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করে আমরা এই দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা বজায় রাখবো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই দেশের তৃণমূল থেকে গঠিত একটি দল। তারা দেশের মানুষের হৃদস্পন্দন বুঝতে পারে। তাইতো মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে আজকে ইসরাইলের হামলার বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা কথা বলেছেন। যেখানে বিএনপি ইসরাইলকে সমর্থন করছে।

সকল ষড়যন্ত্র শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নয় জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, ১৫ আগস্ট যে নির্মম হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু ও তার সমস্ত পরিবারকে হত্যার মধ্য দিয়ে সে হত্যাকাণ্ড যেমন একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ছিল না। তেমনি বর্তমান সকল ষড়যন্ত্রও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নয়। এই ষড়যন্ত্র দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে।

আমির হোসেন আমু বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা পাক হানাদার বাহিনীর পক্ষ নিয়ে সরাসরি গণহত্যার সাথে জড়িত ছিল জিয়াউর রহমান তাদেরকে দিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। তাদেরকে দিয়ে দল গঠন করেছেন। একইভাবে খালেদা জিয়া নিজামী, মুজাহিদদেরকে দিয়ে দল গঠন, মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। এর মধ্য দিয়ে তারা প্রমাণ করেছে তারাই এদেশের পরাজিত শক্তির মুখপাত্র। তারাই বার বার প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত। আজকে সে অপশক্তি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

;

সংবাদটি প্রথম প্রকাশিত হয় বার্তা ২৪-এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *