সারাদেশ

সিলেটে বিএনপির মশাল মিছিল, অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর

ডেস্ক রিপোর্ট: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পুণ্যস্নানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গোপসাগরের তীরে ভগবত গীতা পাঠ, গঙ্গার পূজা অর্চনা, প্রার্থনা ও স্নান করে পরিবার, দেশ ও জাতি জন্য আর্শীবাদ কামনা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাসমতে সাগর বা নদীতে পূর্ণিমার জোয়ারে স্নানের মাধ্যমে তাদের পূর্বের পাপ মোচন হয়ে যায়।

এরআগে সৈকতে মোমবাতি, আগরবাতি, বেল পাতা, ফুল, ধান, দূর্বা, হরিতকী, ডাব, কলা, তেল ও সিঁদুর সমুদ্র জলে অর্পণ করে সনাতনী নারীরা।

এসময় উলুধ্বনি ও ভগবত গীতা পাঠে মুখরিত হয় ওঠে পুরো সৈকত। এছাড়া মাথান্যাড়াসহ প্রায়শ্চিত্ত ও পিণ্ডদান করেন অনেক মানতকারীরা।

পুণ্যস্নানের মাধ্যমে জ্ঞাত-অজ্ঞাত সকল পাপ মোচন হয়ে আবার নিজেকে পরিশোধন করার এরকম সুযোগ বার বার জীবনে আসুক এই প্রার্থনা করেন কৃষ্ণ ভক্তরা।

বরগুনার তালতলী থেকে আসা সবিতা দাস বলেন, খুবই ভালো লাগছে এখানে এসে। প্রতি বছরই এখানে উৎসব হয় আমরা সকলে সেখানে অংশগ্রহণ করি বিভিন্ন স্থানের মানুষের সাথে পরিচিত হই ভালোই লাগে। পুণ্যস্নানের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, শাস্ত্রে বলা আছে যে সব তীর্থ বার বার, গঙ্গা তীর্থ এক বার। আর গঙ্গা স্নান করলে সকল পাপ মোচন হয় তাই এখানে আসি।

মাদারীপুর থেকে আসা ছন্দা রানী বলেন, খুবই আনন্দ লাগছে, সারা রাত কীর্তন চলছে, খাওয়া দাওয়া সব কিছুই ভালো হয়েছে। দেখে খুব ভালো লাগছে। এই সাগরে পুণ্যস্নান করলে পাপ চলে যায়, মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করে। বছরে একদিন রাসপূর্ণিমা আর এই পূর্ণিমার সময়ই স্নান করতে হয়।

শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দিরের পুরোহিত নিহার রঞ্জন মন্ডল বলেন, এবছর যে রাস উৎসব ও পুণ্যস্নান অনুষ্ঠিত হয়েছে এতে কোনো প্রকার সমস্যা হয়নি। সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান শেষ করতে সক্ষম হয়েছি। হাজার হাজার মানুষ স্নান করছে কিন্তু প্রশাসনের সহায়তার জন্য কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

তিনি তার বক্তব্যে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সার্বিক সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।

সংবাদটি প্রথম প্রকাশিত হয় বার্তা ২৪-এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *