সারাদেশ

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে ১৪ দলীয় জোটের যুদ্ধ এখনো চলছে: ইনু

ডেস্ক রিপোর্ট: সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে ১৪ দলীয় জোটের যুদ্ধ এখনো চলছে: ইনু

ছবি: বার্তা২৪.কম

সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে ১৪ দলীয় জোটের যুদ্ধ এখনো চলছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-এর (জাসদ) সভাপতি ও কুষ্টিয়া-২ আসনে ১৪ দলীয় জোটের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হাসানুল হক ইনু।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করতে রাজাকার ও তার মিত্ররা নির্বাচিত সরকারের ওপর যাতে হামলা না করতে পারে সেজন্য ১৪ দলীয় জোটের দরকার রয়েছে। আর তাই সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে ১৪ দলীয় জোটের যুদ্ধ এখনো চলমান রয়েছে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত আটটায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়িয়ায় ১৪ দলীয় জোটের পথসভায় তিনি একথা বলেন।

জাসদ সভাপতি বলেন, যেহেতু নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক আছে, বর্জন করলে জনগণ থাকবে কি থাকবে না, সন্ত্রাসী কার্যক্রম হবে কি হবে না? সেসব প্রশ্নের জবাবের জন্য কারচুপিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করা একটি চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ আমরা মোকাবিলা করছি।

নির্বাচন বিরোধী কথা বলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) অস্বাভাবিক সরকারের পক্ষে ওকালতি করছে উল্লেখ করে টিআইবিকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির খোঁজখবর রাখুন, রাজনীতিতে নাক গলাবেন না। সাংবিধানিক ধারা অক্ষুন্ন রাখার জন্য নির্বাচন যথাসময়ে করার বিকল্প নেই।

পথসভায় আওয়ামী লীগ, জাসদ, ওয়ার্কাস পার্টিসহ ১৪ দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

গাজীপুরে নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে বিএনপির দুই নেতা বহিষ্কার

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরে আওয়ামী লীগের নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট চাওয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, গাজীপুর-৩ আসনে নৌকা প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়ার অপরাধে শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দল থেকে বহিষ্কার হয়েছে। একইসঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক হারিজ উজ্জামানকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এর আগে গাজীপুর-৩ আসনের নৌকা প্রতীক প্রার্থী রুমানা আলী টুসি গাজীপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এক পথসভা করেন। সেখানে আকরাম হোসেন নৌকার পক্ষে বক্তব্য দেন। এবং সরাসরি নৌকা প্রতিকে ভোট চান।

;

‘প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী রাশেদ খান মেননকে জয়ী করতে হবে’

ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থী রাশেদ খান মেননকে জয়ী করে বরিশালের উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিতে হবে। তিনি মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও দলের পক্ষে কাজ করতে হবে সকল নেতাকর্মীকে সে লক্ষ্যে দলের প্রতীক নৌকা ও প্রার্থী রাশেদ খান মেননকে জয়ী করতে হবে যেকোনো মূল্যে।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী রাশেদ খান মেননের উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি্র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সমীর মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আনিসুর রহমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

ইউনুস আরো বলেন, দেশের স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। আর সে নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জয়ী করতে হবে। সেকারণে বরিশাল-২ আসন (উজিরপুর ও বানারীপাড়ায় ) ১৪ দলের প্রার্থী রাশেদ খান মেননকে দরকার বলেই তাকে জয়ী করতে হবে। আমি যদি পেয়েও সব কিছু ভুলে দলের প্রয়োজনে কাজ করতে পারি সকল নেতাকর্মীদেরও প্রধানমন্ত্রীর প্রয়োজনে নৌকা প্রতিকের পক্ষে কাজ করতে হবে।

;

‘এমন কিছু করবেন না যেন প্রধানমন্ত্রীর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়’

‘এমন কিছু করবেন না যেন প্রধানমন্ত্রীর সম্মান ক্ষুন্ন হয়’

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বরিশাল-৫ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষে নির্বাচন হবে। তাই কখনো ভয় পাবেন না। এবার আপনাদের ভোট কেউ জোর করে হরণ করে নিতে পারবে না।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের পপুলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী সভায় একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আপনি তো বরিশালের উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছেন। তবে কেন প্রতিপক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক-কর্মীদের ভয়ভীতি হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। এসব ভয়ভীতি দেওয়া বাধ দিয়ে ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার সুযোগ করে দেন। এমন কিছু করবেন না যেন প্রধানমন্ত্রীর মান-সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। আমি বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগ করা সৈনিক ও প্রধানমন্ত্রীর কর্মী তাই একমাত্র মৃত্যু ছাড়া আমাকে নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাব না। আমি বলছি সুষ্ঠু নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষ নির্বাচিত হয় তাহলে আমিই তাকে গ্রহণ করে নেব সবার আগে।

এ সময় তার পাশাপাশি বক্তব্য রাখেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রিপনের সহধর্মিণী লুনা সালাউদ্দিনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড সমর্থক বৃন্দ।

নির্বাচনের দিন যতই সময় ফুরিয়ে আসছে ততই বরিশালে মহিলা ভোটাররাই স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাশে এসে দাঁড়ানোর কারণেই ঝিমিয়ে পড়া নির্বাচনের মাঠের পরিবেশ সরগরম করে তুলেছে।

;

জনসভার অনুমতি পেলো আ.লীগ, মানতে হবে ২০ শর্ত

ছবি: বার্তা২৪.কম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২০ শর্তে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনী জনসভার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় ধানমন্ডির কলাবাগান মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সমাবেশের অনুমতি দিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের পক্ষে উপ-পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) আবু ইউসুফের সই করা এক অফিস নথি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজের বরাবর পাঠানো হয়।

অনুমতি পত্রে বলা হয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর দাখিলকৃত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিম্নবর্ণিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন সাপেক্ষে সোমবার (১ জানুয়ারি) বেলা ২টায় ধানমন্ডির কলাবাগান মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগকে নির্বাচনি জনসভার অনুমতি প্রদান করা হলো।

(১) এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমোদন নিতে হবে।
(২) স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রে উল্লিখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন করতে হবে
(৩) অনুমোদিত স্থানেই নির্বাচনী জনসভার যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
(8) কোনো অবস্থাতেই অনুমোদিত স্থানের বাইরে কোনো ধরনের জনসমাগম করা যাবে না।
(৫) নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে।
(৬) শব্দ দূষণ প্রতিরোধে সীমিত আকারে মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করতে হবে, কোনোক্রমেই অনুমোদিত স্থানের বাইরে মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।
(৭) অনুমোদিত স্থানের বাইরে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।
(৮) আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।
(৯) ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আনতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য প্রদান বা প্রচার করা যাবে না। কোনো অবস্থাতেই মূল সড়কে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
(১০) নির্বাচনী জনসভার কার্যক্রম ব্যতীত মঞ্চকে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
(১১) (১২) আইন-শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না।
(১৩) রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ ও বক্তব্য প্রদান করা যাবে না।
(১৪) উস্কানিমূলক কোনো বক্তব্য প্রদান বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।
(১৫) নির্বাচনী জনসভার ব্যানারের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠিসোটা বা রড সদৃশ বস্তু ব্যবহার করা যাবে না।
(১৬) আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ও কোনো বিরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন।
(১৭) দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন-২০২৪ এর আচরণ বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
(১৮) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর স্মারক নং- ১৭.০০.০০০০.০৩৪.৩৬.০১৮.২৩(অংশ-৬)-৭৭৬ তারিখ-১২/১২/২০২৩খ্রিঃ এবং জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-৪৪.০০.০০০০.০৭৯.০১.০০২.২০২৩-৫৫২ তারিখ-১৪/১২/২০২৩খ্রিঃ এর বিজ্ঞপ্তি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
(১৯) উল্লিখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।
(২০) জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে এই অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের এ জনসভার অনুমতি চেয়ে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে চিঠি দেওয়া হয়।

ওই দিন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার সাবিরুল ইসলামের সই করা এক চিঠিতে বলা হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্দেশনা অনুসরণের শর্তে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের (সোমবার) কলাবাগান মাঠে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠানের বিষয়ে অনাপত্তি জ্ঞাপন করা হলো। 

;

সংবাদটি প্রথম প্রকাশিত হয় বার্তা ২৪-এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *