সারাদেশ

জামালপুর-২, প্রচারণার শেষ দিনে নৌকার গণজোয়ার

ডেস্ক রিপোর্ট: ছবি: বার্তা২৪.কম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে শুক্রবার সকাল ৮টায়। শেষ দিনে জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফরিদুল হক খানকে নৌকা প্রতীকে জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে বিশাল প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে নির্বাচনী প্রচার মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে দলীয় কার্যালয়ে সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন ও নৌকার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্রচার মিছিলটি শুরুর আগে ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পথসভাটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নৌকা প্রতীকের এমপি প্রার্থী ফরিদুল হক খান।

সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জামালপুর-শেরপুর সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হোসনে আরা, যুবলীগের সভাপতি হারুনুর রশিদসহ আরও অনেকেই।

‘নৌকাই বঙ্গবন্ধুর কর্মীদের শেষ ঠিকানা’

ছবি: সংগৃহীত

মান-অভিমান থাকলেও নৌকাই বঙ্গবন্ধুর কর্মীদের শেষ ঠিকানা বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মিতা। তিনি বলেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসেন, জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবাসেন-তাঁরা কখনো নৌকার সঙ্গে বেইমানি করেন না। তাঁরা সব ভুলত্রুটি ক্ষমা করতে জানেন। রাগ-অভিমান ভুলে দিনশেষে নৌকাতেই ভোট দেন।’

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে সন্দ্বীপের মগধরা, মাইটভাঙা ও সারিকাইত ইউনিয়নে প্রচারণার শেষদিনে গণসংযোগে এই মন্তব্য করেন মাহফুজুর রহমান মিতা।

গণসংযোগের সময়ই জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদের কথা জানিয়ে মিতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমি গত দশ বছরে সন্দ্বীপে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। দ্বীপ বলতে অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ মনে করেন অবহেলিত, অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে। কিন্তু আমার উপজেলা দ্বীপাঞ্চল হলেও অন্যান্য উপজেলার চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে। গত ১০ বছর সচিবালয়ের এই মন্ত্রণালয় থেকে ওই মন্ত্রণালয়ে দৌড়াদৌড়ি করেছি আমার দ্বীপবাসীর উন্নয়নের জন্য। সেজন্য আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত।

সন্দ্বীপে স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকলেও সেটিকে চ্যালেঞ্জ মনে করছেন না মাহফুজুর রহমান মিতা। তিনি বলেন, ‘আমাদের আওয়ামী, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ সুসংগঠিত। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থীকে আমি কোনো চ্যালেঞ্জ মনে করি না। কেননা মানুষই আমার শক্তি। তাঁরাই নিজেদের উন্নয়নের জন্য আমাকে আবারও জয়ী করে সংসদে পাঠাবেন।’

কর্মী আর জনবান্ধব বলেই বারবার তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নৌকা উপহার দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন মাহফুজুর রহমান মিতা। তিনি বলেন, ‘অনেকেই নৌকা প্রতীক চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সবকিছু বিবেচনা করে আমাকে আবারও নৌকা প্রতীক তুলে দিয়েছেন। কেননা যতবার তিনি আমাকে নৌকা দিয়েছেন, প্রতিবার আমার জনগণ প্রধানমন্ত্রীকে নৌকা উপহার দিয়েছেন।’

গণসংযোগের সময় মিতার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বেদন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মগধরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম আনোয়ার হোসেন, সারিকাইত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম ফনির প্রমুখ।

  ভোট এলো, এলো ভোট ;

নির্বাচনে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বিশ্ব এখন বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আছে। এই অঞ্চলের শান্তি স্থিতিশীলতার জন্য শেখ হাসিনাকে দরকার। বাংলাদেশের সুন্দর ভবিষ্যৎ, শান্তি ও উন্নয়নের নৌকায় ভোট দিন। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে আতঙ্কের কোন কারণ নেই। উৎসবমুখর পরিবেশে দলে দলে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দান করবেন। একটি সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা প্রমাণ করব আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর ঐতিহাসিক রেজিস্ট্রারি মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীন সার্বভৌম দেশ দিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে বাস্তব রূপ দিতে শেখ হাসিনা সরকার কাজ করছে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে যেখানে মানুষের সব মৌলিক অধিকার পূরণ করবে সরকার। দেশের উন্নয়নের জন্য, জনগণের মঙ্গলের জন্য আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিলেটবাসীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। কারণ আমাকে তাদের আমানত ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছিলেন বিগত নির্বাচনে। আমাকে নির্বাচিত করার ফলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন এবং বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ হয়। ইতিপূর্বে আমার বড় ভাই প্রয়াত আবুল মাল আবদুল মুহিতকে দুইবার ভোট দিয়ে আপনারাই নির্বাচিত করেছিলেন এবং সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। আমি সৌভাগ্যবান প্রধানমন্ত্রী আমাকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন।

দলের স্বার্থে ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সম্মান জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো স্বতন্ত্র প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক তিনবারের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ ও জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি আরেকটি বিষয়ে সৌভাগ্যবান এই কারণে আমাদের একজন আওয়ামী লীগের নিবেদিত প্রাণ ও নির্যাতিত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন কিন্তু তিনি নৌকার বিরুদ্ধে কীভাবে খেলবেন সেজন্য দলের স্বার্থে স্বেচ্ছায় তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর থেকে তিনি সবসময় আমার সাথে আছেন এবং আমাকে সহযোগিতা করছেন। তিনি আমাদের সাবেক তিনবারের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ। শুধু তিনি নন আরেকজন জাতীয় পার্টির প্রার্থী শিল্পপতি নজরুল ইসলাম বাবুল আমাকে সমর্থন দিয়ে নমিনেশন নেননি। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। এটাই আমাদের সিলেটের ঐতিহ্য। আমরা দল মত নির্বিশেষে সিলেটের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। সেই মনমানসিকতা ও শ্রদ্ধাবোধ আমাদের রয়েছে।

মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়জুল আনোয়ার আলাওরের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য ও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সহধর্মিনী সেলিনা মোমেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির নির্বাহী সদস্য আজিজুর সামাদ আজাদ ডন, আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, সিসিক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী , মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবদুল খালিক, নুরুল ইসলাম পুতুল, আল ইসলার সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানসহ প্রমুখ।

  ভোট এলো, এলো ভোট ;

শেষ বয়সে আমি আপনাদের ভালবাসা চাই: শমসের মবিন

ছবি: বার্তা২৪.কম

তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সিলেট-৬ আসনে সোনালী আঁশের প্রার্থী শমসের মুবিন চৌধুরী বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে যেসব প্রার্থী রয়েছেন এরমধ্যে আমিই একমাত্র খেতাবপ্রাপ্ত ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা। শেষ বয়সে আমি আপনাদের ভালবাসা চাই। দুটি উপজেলার কাঙ্খিত উন্নয়নে আমায় ৭ জানুয়ারি সোনালী আঁশ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করুন।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে বঙ্গবন্ধুর ডাকে যুদ্ধ করেছিলাম। যুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্থায়ী ভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছিলাম। এমনকি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দিও হয়েছিলাম। দেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা বিদেশীদের কাছে তুলেও ধরেছি।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিয়ানীবাজার পৌর শহরে তার নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন।

শমসের মবিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিয়ানীবাজার গোলাপগঞ্জ উপজেলাবাসী উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। এ দুটি উপজেলার যোগাযোগ ভেঙে পড়েছে। যে দেশে নিজ টাকায় পদ্মা সেতু হয়। একটু আন্তরিক ও দেশপ্রেমিক হয়ে কাজ করলে উন্নয়নের জোয়ার বইতো।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুর কাদির শাফি চৌধুরী এলিম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ হাছিন আহমদ মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুল হক, গোলাপগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রুহেল আহমদ, গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি, পৌর কাউন্সিলর রুহিন আহমদ খান।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি সদস্য রাহেল আহমদ, তালামিযে ইসলামির কেন্দ্রীয় সাবেক নেতা আব্দুল মানিক প্রমুখ।

  ভোট এলো, এলো ভোট ;

খালেদা জিয়ার বাড়িতে নৌকার গণজোয়ার

ছবি: বার্তা২৪.কম

“খালেদা জিয়ার বাড়ির লোক, এবার দেবেন নৌকায় ভোট” এ স্লোগানে স্লোগানে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার গ্রামের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামবাসীর সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন ফেনী-১ আসনের নৌকার প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। এতে নৌকার স্লোগানে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার বাড়ির আঙ্গিনায় মজুমদার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন শ্রীপুর গ্রামবাসী। এ সময় গ্রামবাসী হাত তুলে নৌকা প্রতীককে বিপুল ভোটে জয়ী করার বিষয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেন এবং খালেদা জিয়ার বাড়ির লোক এবার দেবেন নৌকায় ভোট এমন স্লোগান দেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌকার প্রার্থী আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম বলেন, এ গ্রাম থেকে বেগম খালেদা জিয়া পাঁচবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। সেই সুবাদে এ এলাকায় উন্নয়ন করব এমন কথা বলাও বেয়াদবি হবে। এ গ্রামের বেশ কয়েকজন একটি সভা করতে চেয়েছিল। সেজন্য এখানে এসেছি। তারা আমাকে কাছে পায়, উনাকে (খালেদা জিয়া) কাছে পায়নি। এজন্য আমার প্রতি আগ্রহ বেশি। 

খালেদা জিয়ার বাড়ির লোক, এবার দেবেন নৌকায় ভোট  তিনি বলেন, এতদিন রাস্তাঘাট উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু এবার আমি মানবসম্পদ উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। এটি বহু আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিন্তা করে রেখেছেন। যেটি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারেও দুই নম্বরে রয়েছে।

খালেদা জিয়ার গ্রামের মানুষদের উদ্দেশ্যে নাসিম বলেন, আমি আপনাদের সন্তান হয়ে থাকতে চাই। এমপি নির্বাচিত হলে আপনাদের নিয়ে সুখে-দুঃখে থাকতে চাই। আমি জাল ভোটে, কোনো দুই নাম্বার ভোটে এমপি হতে চাই না। আমি ভোটারদের ভোটে এমপি হতে চাই। আমি হালাল পথে রোজগার করেছি। আল্লাহ কম দেয়নি, অনেক দিয়েছে। আমি নিতে আসিনি, দিতে এসেছি।

খালেদা জিয়ার না থাকাতে নাসিম চৌধুরীকে পেয়ে খুশী শ্রীপুর গ্রামের সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন খালেদা জিয়া আমাদের এলাকার কিন্তু আলাউদ্দিন নাসিম ও আমাদের এলাকার আত্মীয়। আগামী নির্বাচনে তাকে বিজয়ী করতে আমরা কাজ করব।

ফুলগাজী মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সালাহ উদ্দিন আহমেদ মজুমদারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বেগম খালেদা জিয়ার ভাতিজা সালাহউদ্দিন আহমেদ মজুমদার, এটিএম ইয়াছিন সাদেক বিপ্লব মজুমদার, মামুনুর রশিদ সাহেদ প্রমুখ। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বিকেলে ছাগলনাইয়া উপজেলার বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন নৌকার প্রার্থী আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। সভায় উপস্থিত থেকে নৌকা প্রতীকের ভোট চেয়ে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

  ভোট এলো, এলো ভোট ;

সংবাদটি প্রথম প্রকাশিত হয় বার্তা ২৪-এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *