সারাদেশ

লালমনিরহাট ১: আ.লীগ-স্বতন্ত্র প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট ১: আ.লীগ-স্বতন্ত্র প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

লালমনিরহাট ১: আ.লীগ-স্বতন্ত্র প্রার্থীর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মাঝে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ আসনে নৌকার জয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন ঈগলের স্বতন্ত্র প্রার্থী। নৌকার প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন এমপির সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান প্রধানের লড়াই হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।

এ আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৬ হাজার ১শ ২২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬শ ৬৪ জন। মহিলা ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪শ ৫৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন।

ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান প্রধান জানান, হাতীবান্ধা-পাটগ্রামের উন্নয়ন ও মানুষের কর্মসংস্থান গড়ে তোলার জন্য আমি নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে গিয়ে বিভিন্নভাবে হামলা, মামলার শিকার হয়েছি। এতো বাঁধা প্রদান সত্ত্বেও হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের সর্বত্র সাধারণ মানুষ আমাকে অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। আমার শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও শেষ পর্যন্ত জনগণের পাশে থাকব। আগামী ৭ তারিখ সাধারণ ভোটারগণ ঈগল প্রতীকের পক্ষে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে তাকে নির্বাচিত করবে বলে শতভাগ আশাবাদী তিনি।

নৌকার প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন এমপি জানান, ইতিমধ্যে হাতীবান্ধা-পাটগ্রামের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। মানুষের বিপদে সবসময় ছিলাম। এই আসনের সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবাসে। আমি আশা করি এই নির্বাচনে তারা বিপুল ভোটে আমাকে জয়ী করবে।

নৌকা ও স্বতন্ত্র ছাড়াও এ আসনে প্রার্থী রয়েছেন আরও তিনজন। তারা হলেন- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) থেকে মশাল মার্কা নিয়ে হাবিব মোহাম্মদ ফারুক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি নিয়ে আজম আজহার হোসেন এবং ট্রাক মার্কা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন তাজু৷ তবে প্রচার-প্রচারণায় তেমন মাঠে নেই এ তিনজন প্রার্থী।

শান্তিপূর্ণ ও প্রতিহিংসা মুক্ত নির্বাচনের দাবি করেছেন সাধারণ ভোটাররা।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করতে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা-৫ আসনের নির্বাচন বা‌তিলের তথ্য ভিত্তিহীন: ইসি অতিরিক্ত সচিব   ভোট এলো, এলো ভোট

ছবি: বার্তা২৪.কম

গাইবান্ধা-৫ আস‌নের নির্বাচন বন্ধের তথ‌্য ভি‌ত্তিহীন ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। 

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) রা‌তে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবা‌বে এসব কথা জানান তি‌নি।

গাইবান্ধা-৫ আস‌নে নির্বাচন বা‌তিল প্রস‌ঙ্গে জান‌তে চাই‌লে তি‌নি ব‌লেন, আপনা‌দের বি‌ভিন্ন চ‌্যা‌নে‌লে আমরা স্ক্রল দে‌খে‌ছি যে নির্বাচন ক‌মিশন গাইবান্ধা-৫ আস‌নের নির্বাচন বন্ধ ক‌রে‌ছে। এই ধর‌নের কোন সিদ্ধান্ত ‌নির্বাচন ক‌মিশন নেয়‌ নি। এই তথ‌্যটা সম্পূর্ণ ভি‌ত্তিহীন। 

গাইবান্ধা ভো‌টের প‌রি‌বেশ নি‌য়ে জান‌তে চাই‌লে তি‌নি ব‌লেন, আমা‌দের রি‌পোর্ট অনুযা‌য়ী সকল নির্বাচনী এলাকায় ভো‌টের প‌রি‌বেশ অনুকূল আ‌ছে। 

;

ফেনী-৩: নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ারুল   ভোট এলো, এলো ভোট

আনোয়ারুল কবীর

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ফেনী-৩ (দাগনভূঞা- সোনাগাজী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ারুল কবীর (রিন্টু আনোয়ার)।

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে রিন্টু আনোয়ার বলেন, বিগত ১০-১২দিন দাগনভূঞা-সোনাগাজী নির্বাচনী এলাকার বহু স্থানে ভোটার, সুশীল সমাজ, সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় ও গণসংযোগ করেছি। এতে আমার কাছে মনে হয়েছে, স্থানীয় জনগণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি পুরোপুরি আস্থা হারিয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থাপনার প্রতিও তাদের কোন বিশ্বাস নেই। গণতন্ত্র সচেতন এখানকার মানুষেরা মনে করে, বিগত ১৫ বছর নির্বাচন ও গণতন্ত্রকে এখানে যে জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাতে তারা মূল্যহীন। আমার ভোটের কোনো মূল্য নেই-এমন ভাবনা তাদের মনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে।

তিনি বলেন, এটি গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। আমি গণসংযোগে মানুষকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি কিন্তু মানুষ ভোট দিতে যাওয়ার জন্য রাজি নয়। তারা বলছে ভোট দিয়ে কি হবে। এমপিতো নির্ধারণ হয়েই আছে। শুধু ঘোষণা বাকি। এছাড়া এখানে প্রতিবার নির্বাচনে ‘ফেনী স্টাইল’ মঞ্চায়ন হওয়ার কারণে ভোটের প্রতি মানুষ পুরোপুরি আস্থা হারিয়েছে। যদিও সরকার ও বিভিন্ন মহল থেকে বারবার জানানো হয়েছে, এবার অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। যে জনপ্রতিনিধি জনগণ দ্বারা নির্বাচিত হয়না, সেই জনপ্রতিনিধি আমি হতে চাই না।

রিন্টু আনোয়ার আরও বলেন, গত কয়েকদিন গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। এতে একটি মহলের গাত্রদাহ দেখা দিয়েছে। তাছাড়া এমপি হতে যেখানে শুধু ফলাফল ঘোষণা বাকি, এমন নির্বাচনে থাকা মানে তথাকথিত ডামি নির্বাচনকে সহায়তা করা। এ অবস্থায় সাধারণ ভোটারদের মনোভাবের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে, জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে আমি নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি। অর্থাৎ, আমি এই তথাকথিত ডামি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি না।

এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর যাচাই-বাছাইয়ের সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। আপিল করার পর তা নামঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। পরে তিনি হাইকোর্ট রিট করেন। ২০ ডিসেম্বর এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন জটিলতায় ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ারুল কবীবের (রিন্টু আনোয়ার) মনোনয়ন বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

;

৪ হাজার কে‌ন্দ্রে ব‌্যালট পেপার যা‌বে শনিবার: ইসি অতিরিক্ত সচিব   ভোট এলো, এলো ভোট

ছবি: বার্তা২৪.কম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপল‌ক্ষে আগামীকাল চার হাজার কেন্দ্রে ব‌্যালট পেপার পৌ‌ঁছে যা‌বে ব‌লে‌ জানি‌য়ে‌ছেন ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) রা‌তে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তি‌নি।

তি‌নি ব‌লেন, আজ সকাল ৮টার পর থে‌কে প্রচারণা শেষ হ‌য়ে‌ছে। আমা‌দের যে প্রস্তু‌তি সেটা যথাযথভা‌বে আ‌ছে। আগামীকাল থে‌কে নির্বাচনী মালামাল সব কেন্দ্রে যা‌বে। কাল চার হাজার কে‌ন্দ্রে ব‌্যালট পেপার চ‌লে যা‌বে, আর বাকী কে‌ন্দ্রে যা‌বে নির্বাচ‌নের দিন ৭ তা‌রিখ সকা‌লে।

তি‌নি আরও ব‌লেন, আমা‌দের কমনও‌য়েলথ ও ওআইসির প্রতিনিধিদের স‌ঙ্গে বৈঠক হ‌য়ে‌ছে। তারা আমা‌দের নির্বাচ‌নী প্রস্তু‌তির সকল বিষ‌য়ে জান‌তে চাইলে আমরা সকল বিষয়ে তা‌দের‌কে জা‌নি‌য়ে‌ছি। তারা আমা‌দের প্রস্তু‌তির বিষ‌য়ে সন্তু‌ষ্ট প্রকাশ ক‌রে‌ছে।  

;

সাতক্ষীরা-১ আসনে নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ   ভোট এলো, এলো ভোট

ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-১ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার জন্য কলারোয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) ইসির আইন শাখার উপ-সচিব মো. আব্দুছ সালাম নির্দেশনাটি পাঠিয়েছেন।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, সাতক্ষীরা-১ নির্বাচনী এলাকায় অভিযুক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন তার নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের দিন আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবে না। তাদের দলের কোনো প্রার্থী নেই। তারা যদি ভোট কেন্দ্রে যায় একটা গণ্ডগোল বাধবে। আমার কর্মীরা যদি দেখে তারা নৌকাতে ভোট দেয়নি, তাহলে অন্য একটি ঝামেলা হবে। তার চেয়ে তারা কেন্দ্রে যাবে না, আমরা নির্বাচিত হলে কথা দিচ্ছি তাদের কোনো ক্ষতি হবে না, এটাই হলো বড় ম্যাসেজ।

প্রার্থী গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৩ এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর দফা ১১ (ক) এর বিধান লঙ্ঘন করেছেন মর্মে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে।

অভিযুক্ত ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের বিরুদ্ধে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৩ এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর দফা ১১ (ক) এর অধীন সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার দায়ের করার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই অবস্থায় অভিযুক্ত ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের বিরুদ্ধে বর্ণিত অভিযোগে অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার দায়ের করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

;

সংবাদটি প্রথম প্রকাশিত হয় বার্তা ২৪-এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *