খেলার খবর

৩৮.১ ওভারে জিতলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক রিপোর্ট: যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠার কঠিন সমীকরণটা অনেকটাই সহজ করে দিয়েছে বোলাররা। পাকিস্তান যুবাদের বেধে ফেলেছে মাত্র ১৫৫ রানে। যা ৩৮.১ ওভারে টপকাতে পারলেই সেমিতে পা রাখবে বাংলাদেশ।

এদিন বল হাতে শুরু থেকেই পাকিস্তানি ব্যাটারদের কোণঠাসা করে রেখেছিল বাংলাদেশি বোলাররা। বড় ইনিংস খেলতে দেয়নি দলটির কোনো ব্যাটারকে। প্রথম ইনিংস শেষে যার প্রশংসা করতে দেখা গেছে ইয়ান বিশপকেও। এই ধারাভাষ্যকার বলেন, ‘যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখছি। তাদের ফাস্ট বোলাররা কীভাবে বেড়ে উঠছে, মাঠে তারা কতটা উদ্যমী এবং দক্ষ; তা দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ। তারা দেখিয়ে দিয়েছে তারা কারও থেকে পিছিয়ে নেই।’

এদিন টসে জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। উদ্দেশ্য পাকিস্তানকে অল্পতে বেধে ফেলে যত দ্রুত সম্ভব ম্যাচটা নিজের করে নেওয়া। সে লক্ষ্যে দারুণ শুরুও পায় বাংলাদেশ। পাকিস্তানি ব্যাটারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই চাপে রাখে রাব্বির দল।

অবশ্য শুরুতে উইকেট না দিলেও পরে উইকেট খুয়াতে হয়েছে তাদের। ৩৭ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর ৫১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় দলটি। এরপর পাকিস্তানে ব্যাটারদের চেপে ধরে বাংলাদেশ। শাহাজীবের ২৬ রানের পর বলার মতো রান করতে পারেনি দলটির কোনো ব্যাটার। বর্ষণ ও জীবন মিলে ছড়ি ঘোরান পাকিস্তানি ব্যাটারদের ওপর।

তবে মাঝে আরাফাত মিনহাজ ও আলি আসফান্ড উইকেটে জমে যান। দলকে নতুন করে স্বপ্ন দেখান। মাঝে কিছুটা সময় নিলেও তাদের সেই স্বপ্নও ভেঙে দেন পারভেজ জীবন। ফেরান ১৯ রানে থাকা আসফান্ডকে। এরপর বাকিদেরকেও দাঁড়াতে দেয়নি বাংলাদেশি বোলাররা। শেষ বেলায় সঙ্গ না পেয়ে ফিরতে হয় মিনহাজকেও। তিনি ৩৪ রানে থামলে ৪০.৪ ওভারে ১৫৫ রানে শেষ হয় পাকিস্তানের ইনিংস।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড:
পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল: ১৫৫ (৪০.৪ ওভার); (মিনহাজ ৩৪, শাহাজীব ২৬, আসফান্ড ১৯; বর্ষণ ৪/২৪, জীবন ৪/২৪)

সংবাদটি প্রথম প্রকাশিত হয় বার্তা ২৪ ডট কম-এ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *